অপরদিকে, একই উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর এলাকায় শুক্রবার সকালে দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যশোর-নড়াইল মহাসড়কের পাশে থাকা পাঁচ ব্যক্তিকে ধাক্কা নিয়ে পাশের খাদে গিয়ে পড়লে এক ব্যক্তি নিহত হন।
নিহতরা হলেন মো. সবুজ, তারেক সরদার এবং মো. সিদ্দিক।
.png)
সবুজ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়ীয়া গ্রামের ছবেদালীর ছেলে। তিনি মাছের ব্যবসা করতেন। তারেক যশোরের কেশবপুর উপজেলার বগা গ্রামের বাবু সরদারের ছেলে। তিনি পিকআপের চালক ছিলেন। সিদ্দিক বাঘারপাড়া উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের শুকুর শেখের ছেলে। তিনি মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, একটি মুরগিবাহী পিকআপের সঙ্গে বাঘারপাড়ার করিমপুর এলাকায় করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাছবোঝাই একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সবুজ মারা যান। আহত হন মাছবোঝাই পিকআপে থাকা রায়হান হোসেন, মো. রমজান ও শেখ ফরিদ এবং মুরগিবাহী পিকআপের চালক তারেক সরদার। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতাল নিয়ে যান। বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারেক মারা যান।
অপরদিকে শুক্রবার সকালে বাঘারপাড়া উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের পাঁচ ব্যক্তি জাল দিয়ে মাছ ধরার জন্য পাশের গ্রামে যাচ্ছিলেন। তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যশোর-নড়াইল মহাসড়কে উঠতেই যশোরমুখী দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ধাক্কা দিয়ে পাশের খাদে গিয়ে পড়ে। এতে মো. সিদ্দিক ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় আহন হন দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের মো. সুফিয়ান, মো. সাহিদুল, আব্দুল মজিদ ও মো. কবির। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তুলারামপুর হাইওয়ে থানার ওসি মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, দুটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন চালক এবং একজন পিকআপ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দিয়ে পাশের খাদে পড়ে গেলে মহাসড়কের পাশে থাকা এক পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। দুটি ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।