এ ঘটনায় সাথীর বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে তানোর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে আয়াতউল্লাকে (২৮) গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সাথীর পিতা শহিদুল ইসলাম বলেন, সাথীর তিন বছরের একটি ছেলে ও পাঁচ মাসের একটি মেয়ে রয়েছে। আয়াতউল্লা অন্য মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িত ছিল। এ নিয়ে তাদের মাঝে প্রায়ই দ্বন্দ্ব হতো। পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গায়ে পেট্রল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন আয়াতউল্লা। গ্রামের লোকজন বাড়ির দেয়াল টপকে গিয়ে দেখেছে সাথীর শরীরে আগুন জ্বলছে, আর আয়াতউল্লা পাশে দাঁড়িয়ে দেখছে।
.png)
কলমা ইউনিয়নের বিট পুলিশিংয়ের দায়িত্বে থাকা (এসআই) জাহাঙ্গীর বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বিষয়টি থানায় জানিয়ে সাথীকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সাথীকে ঢাকায় হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তানোর থানার ওসি আব্দুর রহিম বলেন, স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ার কারণে ওই গৃহবধূর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। লাশ রামেকের মর্গে পাঠানো হয়েছে।