জানা যায়, ছেলের সঙ্গে অভিমান করে বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অচেতন অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়েছিলেন রজিনা বেগম। তাৎক্ষণিক তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি দেখে যশোর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
নিহতের ছেলে বিপ্লব হোসেন জানান, তার বাবা তাকে একটি প্রাইভেটকার কিনে দিয়েছিলেন। গত সপ্তাহে বাবা বিদেশ থেকে বাড়ি আসেন। গাড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাবাকে জানান, গাড়ির কাগজ মায়ের নামে থাকায় মা কাউকে না জানিয়েই গাড়িটি অন্য কোথাও বিক্রি করে দেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিমান করে মা রজিনা বেগম বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন।
.png)
বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, আমার মা বেঁচে যেতেন। যশোর সদরের চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে আমার মাকে বাঁচানো যায়নি।