মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিলেট জেলার শাহপরান থানার চৌকিদীঘি গ্রামের আলমগীর হোসেনের পুত্র আমীর হোসেন, বাহুবল উপজেলার হাজীমাদাম গ্রামের টেনু মিয়ার পুত্র আব্দুল হান্নান ও একই উপজেলার ডুবাও এলাকার মহিব উল্লাহর পুত্র মনির মিয়া।
.png)
জানা যায়, ২০২১ সালের ১৮ মার্চ বুধবার রাতে বাহুবল উপজেলার দ্বিগাম্বর বাজারের কাছে একটি ভাড়া বাসার তৃতীয় তলায় খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন কাঁচামাল ব্যবসায়ী সনজিত দাসের স্ত্রী অঞ্জলি দাস ও তার মেয়ে পূজা রানী দাস। মধ্যরাতে একদল ডাকাত ডাকাতির উদ্দেশ্যে তাদের ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ডাকাতদের চিনে ফেলায় মা মেয়েকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করে স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। সকালে নিজ ঘরে তাদের গলা কাটা লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।
এ ঘটনার পর অঞ্জলি দাসের স্বামী সনজিত বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দীর্ঘ তদন্তের পর বাহুবল থানার তৎকালীন ইন্সপেক্টর তদন্ত প্রজিৎ কুমার দাস ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট উল্লেখিত ৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ২০ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৩ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন বিচারক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান খান জানান, আদালতের রায়ে ন্যায় বিচার পেয়েছে সনজিত দাসের পরিবার।
তিনি বলেন, আমরা চাই দ্রুত যেন এ রায় কার্যকর করা হয়। আর এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানান, আসামি পক্ষের আইনজীবীসহ তাদের স্বজনরা।