সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মমেক হাসপাতালের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। আহত সমন্বয়করা হলেন- সোহেল (২২), সাগর (১৮), মেহেদী (২৪), শামীম (২২) ও নাজমুল হুদা (৩০)।
জানা যায়, ট্রলিম্যান রুপক আহমেদ ও মোশারফ হোসেন রাত ৩টার দিকে এক রোগীকে নিয়ে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে যান। একই ওয়ার্ডে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ছাত্ররা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। ট্রলিম্যান ওই ওয়ার্ডে লাইট অন করলে আহত ছাত্ররা বকাবকি শুরু করেন। এক পর্যায়ে একে অপরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে দুজন টলিম্যান আরো তিন থেকে চারজন ট্রলিম্যানকে ফোন করে ডেকে আনেন এবং ওয়ার্ডে ভর্তিরত সোহেল, সাগর, মেহেদী, শামীম ও নাজমুল হুদাকে মারধর করেন।
.png)
পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক প্রশাসনিক ডাক্তার মাইনুদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন উপস্থিত লোকজন। এ সময় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্বরত এসআই শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দুইজন ট্রলিম্যানকে আটক করা হয়। বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।