জানা গেছে, বাড়ির পেছনের বারান্দার গেটের তালা ভেঙে ও ঘরের দরজা ভেঙে মুখোশধারী ৬ জনের একদল ডাকাত ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ডিবি পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পরিবারের বাকি সদস্যদের এক রুমে জড়ো করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। ডাকাতরা ঘরের শোকেচ ও আলমারিতে থাকা হীরার আংটিসহ ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২৫ হাজার টাকা লুট করে। যাওয়ার সময় চিৎকার করলে ফিরে এসে সবাইকে গুলি হত্যা করার হুমকি দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে সরজমিনে গেলে খাদ্য পরিদর্শকের স্ত্রী প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত আমাদের বাড়িতে একটি পারিবারিক বৈঠক ছিল। আত্মীয়স্বজনরা চলে গেলে আমরা খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মুখোশধারী ৬ জনের একদল ডাকাত আমাদের ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার স্বামীকে ডিবি পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এছাড়া বাকি সদস্যদের এক রুমে এনে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে আমাদের ঘরে থাকা হীরার ২টি আংটি, ২ ভরি ওজনের ২ জোড়া কানের দুল, ২ ভরি ওজনের গলার ১টি নেকলেস, ২ ভরি ওজনের ১ জোড়া গলার চেইন, ১ ভরি ওজনের ১ জোড়া হাতের বালা, আড়াই ভরি ওজনের মনিপুরি গুঁটি মালা ১টি, ১ ভরি ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের আংটি ও ৩ জোড়া স্বর্ণের কানের রিং এবং আমার দেবরের প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণসহ মোট ১৭ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার আগে আমাদের হুমকি দিয়ে যায়, কেউ চিৎকার করলে ফিরে এসে সবাইকে গুলি করে হত্যা করবে।
.png)
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) শামীম আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) শামীম আকন্দ জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামানসহ আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনা হবে।