রোববার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঈশ্বরদী রেলস্টেশন এলাকা থেকে অপহরণকারী সাগরকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে শনিবার রাতে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়ালব্রিজ এলাকা থেকে অপহৃতকে রমজান আলীকে উদ্ধার করা হয়।
অপহৃত শিক্ষার্থীর রমজান আলী চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চড়ইকোল গ্রামের আকমল হোসেনের ছেলে ও চড়ইকোল দাখিল মাদরাসার ৫ম শ্রেণির ছাত্র। অন্যদিকে অপহরণকারী মেহেদি হাসান সাগর নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলাহাটি গ্রামের আইনুদ্দিনের ছেলে। রোববার দুপুরে পাবনা র্যাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পাবনা র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান।
.png)
র্যাব কমান্ডার বলেন, রমজান আটঘরিয়া থানাধীন তার নানা বাড়ি যাওয়ার কথা বলে গত বুধবার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। ঐদিন সন্ধ্যায় ভিকটিমের পরিবার জানতে পারে রমজান আলী তার নানা বাড়ি যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ওইদিনই রাতে অজ্ঞাতনামা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিকটিমের মাকে তার ছেলেকে ফিরে পেতে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের মা ময়না খাতুন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার চাটমোহর থানায় অজ্ঞানামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে রমজান আলীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র্যাব।
র্যাব কমান্ডার আরো জানান, এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব সদর দফতরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় সিপিসি-২ পাবনা ও সিপিএসসি বগুড়ার একটি যৌথ আভিযানিক দল বড়াল ব্রিজ এলাকা থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায়।
পরে রোববার বিকেলে ঈশ্বরদী রেলস্টেশন এলাকা থেকে অপহরণকারী চক্রের এক সদস্য মেহেদি হাসান সাগরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর গ্রেফতারকৃতকে চাটমোহর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান র্যাবের ঐ কর্মকর্তা।