বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আটককৃত শ্রমিকদের মুক্তির দাবিতে ও প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করেছেন শ্রমিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডরিন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ৫ আন্দোলনকারী গার্মেন্টস শ্রমিক নুর ইসলাম (কাটিং পিসি কমিটি), নুর নবী (ফিনিং আয়রনম্যান), কামরুল ইসলাম (প্যাকিং ম্যান), রাশেদ (ফিনিং ম্যান), রনি মোল্লাকে (অপারেটর সুইং) গত ৪ নভেম্বর বিকেল ৩টার দিকে আটক করে সেনাবাহিনী। নরবান ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের সঙ্গে হাতাহাতি ও ডরিন ফ্যাক্টরিতে ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে তাদেরকে আটক করে কাশিমপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
.png)
আটককৃত শ্রমিকদের মুক্তির দাবিতে ও প্রতিবাদে ডরিন গ্রপের শ্রমিকেরা কারখানার উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করে। পরবর্তীতে দুপুর ২টার দিকে শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে উভয় লেনে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর মেজর মারুফ, ১৮ ইস্ট বেঙ্গল, সাভার সেনানিবাস আটককৃত শ্রমিকদের মোছলেকা লিখে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করলে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যায়। বর্তমানে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।