গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলা সদরের পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং একই গ্রামের মঞ্জু সওদাগরের ছেলে সোহাগ সওদাগর (২৬)।
জানা গেছে,নিহত তোজাম্মেল হক বাবু (৪৫) জয়পুরহাট জেলা সদরের নাজিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
.png)
পুলিশ জানায়, গত রোববার তোফাম্মেল হক বাবু নওগাঁ থেকে পিকআপযোগে কলা নিয়ে সাভারের আশুলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পথিমধ্যে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকার পুষ্টকামুরী ব্রিজের কাছে পৌঁছালে পিকআপের চালক জুয়েল মহাসড়কের ওপর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তিনি গাড়ি থামিয়ে মহাসড়ক থেকে বস্তা তুলতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা সশস্ত্র ডাকাত দল গাড়িতে বসে থাকা কলা ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক বাবুর ওপর হামলা চালায়। তারা বাবুর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল লুট করার চেষ্টা করে। বাধা দিলে ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তোজাম্মেল হক বাবু গুরুতর আহত হন। উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পিকআপে থাকা নিহত বাবুর চাচাতো ভাই মো. নাহিদ হোসেন ঘটনার পরদিন অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার একদিন পর অভিযান চালিয়ে পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়া থেকে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে হাজির করা হলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামি একই এলাকার সোহাগ সওদাগরকেও গ্রেফতার করা হয়। বুধবার সোহাগকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মির্জাপুর থানার ওসি মোশারফ হোসেন বলেন, ঘটনা ঘটার ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তার দেওয়া তথ্যে অপর আসামি সোহাগকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।