বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই ইজতেমার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি।
ইজতেমার এন্তেজামিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবক প্রধান বলেন, বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর প্রধান অতিথি মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) এর বয়ানের মাধ্যমে ইজতেমার উদ্বোধন হয়। রোববার ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
.png)
ইজতেমা সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি ইজতেমা প্রাঙ্গণে ৩ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।
ইজতেমার সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল মোমিন জানান, গতকাল বুধবার থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করেন। মুসল্লিদের জন্য অজু ও গোসলখানাসহ পর্যাপ্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সেবায় ফ্রি মেডিকেল চেকআপের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ইজতেমা এন্তেজামিয়া কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৩ দিনব্যাপী ইজতেমায় চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীমসহ দেশ বরেণ্য আলেম-ওলামারা ইজতেমায় বয়ান পেশ করবেন।
কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ওসি জানান, ইজতেমা ময়দানে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এছাড়াও সবসময় ইজতেমা ময়দান পুলিশের নজরদারিতে থাকবে। যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।