ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সাত মাসে কুরআনের হাফেজা আনিশা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:১৯, ৭ জানুয়ারি ২০২৫
সাত মাসে কুরআনের হাফেজা আনিশা
আনিশা আক্তার। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সাত মাস আগে মাদরাসার হেফজ বিভাগে ভর্তি হয়েছিলো ১৩ বছর বয়সী আনিশা আক্তার। এরই মধ্যে গৌরব অর্জন করেছে কুরআনের হাফেজ হওয়ার। তার এই কৃতিত্বে সংবর্ধনা দিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

আনিশা পঞ্চগড় সদর উপজেলার টুনিরহাট ঘটবর তা’লিমুল কোরআন বালিকা মাদরাসার শিক্ষার্থী। সে চাকলাহাট ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামের আলিউর রহমানের মেয়ে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে সংবর্ধনা ও আনুষ্ঠানিক বিদায় দেয় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। সুসজ্জিত প্রাইভেটকারে বসিয়ে মোটরসাইকেল বহরের মাধ্যমে তাকে রাজকীয় সম্মানে তাকে পৌঁছে দেওয়া হয় বাড়িতে। ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী।

Advertisement

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কামাত কাজলদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান ও মাদরাসার সভাপতি তোফায়েল প্রধান, মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ মো. মনিরুল ইসলাম মোল্লা, সদর উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আবু সাইদ, স্থানীয় ছাত্রশিবির নেতা মুন্না ইসলাম প্রমুখ।

মেয়ের কৃতিত্বে আনন্দিত বাবা আলিউর রহমানবলেন, মেয়েকে কুরআনের হাফেজ বানানোর আশা ছিলো। আল্লাহ আমার আশা পূরণ করেছেন। আমি চাই আমার মেয়ে একজন পূর্ণ আলেম হোক। 

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ মো. মনিরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, মাদরাসাটি ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটাই মাদরাসার প্রথম হাফেজ। আমাদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে সবার দোয়া চাই।

কামাত কাজলদিঘী ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান বলেন, মাত্র ৭ মাসে পুরো কুরআন মুখস্ত করা কেবল প্রখর মেধাবী শিক্ষার্থীর পক্ষেই সম্ভব। এজন্য মাদরাসার কর্তৃপক্ষের অবদান অনস্বীকার্য। আমি মনে করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে মাদরাসাটি এই সাফল্য দেখিয়েছে। মাদরাসার সার্বিক বিষয়ে আমার সু-দৃষ্টি সবসময় থাকবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: পঞ্চগড়
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!