মঙ্গলবার বিকেলে গাড়িচালক হারুনকে সবুজ, মাহবুব ও সৌরভ হত্যার ৩ মামলায় এবং ছাত্রলীগ নেতা আশিককে ওই ৩ ছাত্র হত্যা মামলাসহ ৬ মামলায় রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর মাহমুদ উভয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, সোমবার রাতে ওই দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত হারুন শেরপুর ডিসি অফিসের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বহনকারী সাবেক গাড়িচালক ও ময়মনসিংহ সদরের কেওয়াটখালি বাইপাস রোডের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। আর আশিক জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলার বারঘরিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন তোতার ছেলে।
.png)
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃত ওই দুই আসামির মামলার নথিগুলো তলবমতে দায়রা আদালতে থাকায় নথিপ্রাপ্তি সাপেক্ষে রিমান্ড শুনানির তারিখ ধার্য করা হবে।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মিছিলে গাড়িচাপায় কলেজ শিক্ষার্থী সবুজ মিয়া, মাহবুব আলম ও শারদুল আশীষ সৌরভকে হত্যার ৩ মামলায় হারুনুর রশিদকে সদর থানার এসআই আনসার আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিস অঙ্গন থেকে গ্রেফতার করে। হারুন ঘটনার পর বদলি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি অফিসে কর্মরত ছিলেন।
একইদিন রাতে সদর উপজেলার বারঘরিয়া এলাকা থেকে ৩ ছাত্র হত্যাসহ ৬ মামলায় আশিককে সদর থানার এসআই মানিক চন্দ্র দে’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ গ্রেফতার করে। তাদের উভয়কে ওসব মামলায় ৫ দিন করে রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে।