জানা গেছে, চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কক্ষে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার রুম থেকে ৪ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কচুয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই চিকিৎসক নিয়মিত তার কক্ষে মাদক সেবন করতেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। একজন চিকিৎসকের এ ধরনের মাদক সেবন অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বেসরকারি ক্লিনিক মালিকদের চিকিৎসক নিয়োগের আগে ড্রাগ টেস্ট করার পরামর্শ দেন। পরে ডা. সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয় এবং তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শক মো. মেহেদী হাসান, এএসআই মো. তোফায়েল আহমেদ, বেলায়েত হোসেনসহ অধিদপ্তরের অন্যান্য সদস্যরা।
উল্লেখ্য যে, তার বিরুদ্ধে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ এনেস্থেসিয়া প্রদান এবং যৌন হয়রানি, ইভটিজিং ও অপপ্রচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।