মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নগরীর টুটপাড়া কবরস্থান মোড়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
উদ্বোধনকালে কেসিসির প্রশাসক বলেন, মহানগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেসিসি সর্বশক্তি নিয়োগ করে কাজ করছে।
.png)
তিনি বলেন, ওষুধ স্প্রে করে মশা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও তা পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করতে হলে বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে কোথাও যেন দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, মশার লার্ভা নিধন অভিযান সফল করতে বিদ্যমান জনবলের পাশাপাশি নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে অতিরিক্ত পাঁচজন করে স্প্রেম্যান নিয়োগ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ডের ড্রেনসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি এবং বাড়ির অভ্যন্তরীণ ড্রেনে ওষুধ ছিটিয়ে মশার লার্ভা ধ্বংস করবেন।
মঙ্গলবার থেকে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলতি মাসজুড়ে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কেসিসির প্রশাসক। একই সঙ্গে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র, ডাবের খোসাসহ যেসব স্থানে পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে, সেগুলো দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
অভিযান সফল করতে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলসভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন কেসিসি প্রশাসক।
কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো. রেজা রশিদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, বাজার কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন বনি, সমাজসেবক ইউসুফ হারুন মজনু, মো. ইসহাক তালুকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কেসিসির সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।