সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় নদী থেকে বালু উত্তোলনরত অবস্থায় ছয়টি লোড ড্রেজার ও একটি বলগেট উদ্ধার করা হয়। পরে নৌযানগুলো কোস্টগার্ডের হেফাজতে নেওয়া হয়।
.png)
অভিযানকালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৮ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ৩৬ জনকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে হাজির করা হলে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নদী ও পরিবেশের ক্ষতি করে কেউ যাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন জানিয়েছে, নদী ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন তীব্র হওয়ার পাশাপাশি চর ও তীরবর্তী এলাকার বসতভিটা ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়ছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে রাতের আঁধারে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।