শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে বর্তমানে প্যাকেটজাত আটা প্রতি কেজি ৬৫ টাকা, যা ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও ছিল ৫৫ টাকা। খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং প্যাকেটজাত ময়দা ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিনির দামও এক সপ্তাহে কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়ে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় উঠেছে।
ভোজ্যতেলের বাজারেও দেখা দিয়েছে সরবরাহ সংকট। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ টাকায় বিক্রি হলেও খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
.png)
সবজির দাম কিছুটা কমে বর্তমানে অধিকাংশ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। আমদানির সুযোগ বাড়ায় এর দাম কমেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে ডিমের দাম এখনো স্বস্তি দেয়নি। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি।
মাছের বাজারেও কম দামে পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার সুযোগ সীমিত। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম আকারভেদে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় না বাড়লেও নিত্যপণ্যের ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে। ফলে সংসারের বাজেট সামলাতে গিয়ে মাছ, মাংস, ডিমসহ প্রয়োজনীয় খাবারে কাটছাঁট করতে হচ্ছে।