ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা গুরুতর, ডাক্তারের পরামর্শে আইসিইউতে

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:১০, ২১ জানুয়ারি ২০২২
অনশনরত শিক্ষার্থীদের অবস্থা গুরুতর, ডাক্তারের পরামর্শে আইসিইউতে
অনশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শাবিপ্রবির ১২ শিক্ষার্থী

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনশনরত ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ইতোমধ্যে ১২ জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ডাক্তারের পরামর্শে আইসিইউতে ঢুকানো হচ্ছে। 

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) অনশনের ৪৮ ঘন্টায় শিক্ষার্থীদের অবস্থা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরো পড়ুন: সশরীরে সব পরীক্ষা স্থগিত করলো চুয়েট

Advertisement

ভিসি বিরোধী আন্দোলনে গত বুধবার বেলা ২ টা থেকে অনশন শুরু করে ২৪ জন শিক্ষার্থী। জীবনের বিনিময়ে ভিসির পদত্যাগ করাতে তারা সংকল্পবদ্ধ। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত ১২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। তাদেরকে অতিসত্বর আইসিইউতে নেওয়া লাগবে। খাবার না খেলে আইসিইউতে নিয়েও ফিরিয়ে আনা যাবে না বলে জানান দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। কিন্তু শিক্ষার্থীরা ভিসি পদত্যাগ না করলে অনশন ভাঙবে না বলে জানিয়েছেন। তাদের জীবনের বিনিময়ে ভিসির পদত্যাগ করাতে চায়।

আরো পড়ুন: ভিসি ফরিদের বক্তব্যে এবার জাবি ছাত্রলীগের প্রতিবাদ

এদিকে অনশন শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েক দফায় শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল আসেন। শিক্ষকরা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সার্বিক বিষয়ে সুষ্ঠুভাবে আলোচনা করতে চান। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ না করলে কোনো আলোচনা তারা যেতে চান না।

আরো পড়ুন: রাবিতে ৬৮ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত ৩৯

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ লিজার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের ছাত্রীরা।গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে ছাত্রলীগ হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায়। এতে আন্দোলন চড়াও হয়ে ওঠে। পরদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার ঘোষণা দেন ভিসি। শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!