আবেদন যোগ্যতা:
১. সাংবাদিকতা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
২. ইংরেজি দক্ষতা সনদ প্রদর্শন করতে হবে। আইইএলটিএস এ ন্যূনতম ৭ স্কোর তুলতে হবে। অথবা টোয়েফল আইবিটি তে ন্যূনতম ১০০ স্কোর পেতে হবে।
৩. প্রোগ্রামের কোর্স চলাকালীন সার্বক্ষণিক অক্সফোর্ডে অবস্থান করতে হবে।
সুযোগ-সুবিধা:
১. যুক্তরাজ্যে বিমানে ভ্রমণ করার খরচ।
২. ভিসা খরচ।
৩. উপবৃত্তি হিসেবে প্রতিমাসে ২ হাজার পাউন্ড প্রদান করা হবে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৩১ হাজার টাকা।
৪. উপবৃত্তির অর্থ দিয়ে আবাসন, খাবার এবং সাধারণ জীবনযাত্রার খরচ বহন করা যাবে।
৫. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অতুলনীয় অধ্যয়নের সুবিধা, নেতৃস্থানীয় গবেষণা কেন্দ্র, ব্যাপক শিক্ষা সহায়তা এবং বিশ্বব্যাপী খ্যাতি প্রদান করে।
৬. নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ট্রেনে লন্ডন থেকে মাত্র এক ঘন্টার দূরত্বে থাকবেন। যা দ্য গার্ডিয়ান, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এবং বিবিসি-এর মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সংবাদ প্রকাশকদের সাথে সুবিধাজনক অ্যাক্সেস প্রদান করবে।
.png)
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১. এক পৃষ্ঠার প্রজেক্ট স্টেটমেন্ট।
২. এক পৃষ্ঠার মোটিভেশন স্টেটমেন্ট।
৩. দুই পৃষ্ঠান জীবন বৃত্তান্ত (সিভি)।
৪. দুইটি রিকমেন্ডেশন লেটার।
আবেদন প্রক্রিয়া:
অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে ক্লিক করুন এখানে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন।
আবেদনের শেষ সময়:
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
সারা বিশ্ব থেকে মোট ৩০ জন সাংবাদিক এ ফেলোশিপের সুযোগ পাবেন। আবেদনকারী সাংবাকিদের সাংবাদিকতা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে। এ ফেলোশিপের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সাংবাদিকতায় গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। এছাড়াও বিশ্বের সেরা গণমাধ্যমে তারা এক্সেস পাবেন।
এছাড়াও ব্যক্তিগত গবেষণা, সেমিনার, নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট এবং সমবয়সীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সাংবাদিকতা ও সংবাদ শিল্প সম্পর্কে ধারণা লাভে উন্নতি করা সম্ভব হবে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ব্যক্তিগত অধ্যয়ন থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক ফেলোদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কথোপকথন, প্রোগ্রামের প্রতিটি দিক, বর্তমান নিউজ ইকোসিস্টেমের চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগগুলির প্রতি উপলব্ধি বাড়িয়ে তুলবে।