সর্বোচ্চ প্রকাশনার জন্য সম্মাননা পাচ্ছেন জাবি অধ্যাপক ড. শাহেদুর রশিদ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক গবেষণা নিবন্ধের জন্য ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহেদুর রশিদ পাচ্ছেন আবু জাফর শামসুদ্দিন ও আয়েশা আখতার খাতুন মেমোরিয়াল ট্রাস্ট সম্মাননা ২০২২।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন টিচিং অ্যান্ড লার্নিং সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন পদ্ধতিতে এই মনোনয়ন দিয়ে থাকে।
গত বৃহস্পতিবার সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. আকবার হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পুরষ্কার প্রাপ্তির এ তথ্যসহ অধ্যাপক ড. শাহেদুর রশিদকে অভিনন্দন বার্তা পাঠানো হয়।
.png)
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শিক্ষকদের গবেষণা নিবন্ধ মূল্যায়ন সাপেক্ষে এ সম্মাননা প্রদান করছে আবু জাফর শামসুদ্দিন ও আয়েশা আখতার খাতুন মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সেমিনার কক্ষে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. আকবার হোসেন বলেন, আবু জাফর শামসুদ্দিন ও আয়েশা আখতার খাতুন মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে প্রতিবছর সম্মাননা প্রদান করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের মধ্যে গত ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বাধিক সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহেদুর রশিদকে সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে অধ্যাপক ড. মো. শাহেদুর রশিদসহ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অন্য সব শিক্ষকের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজে দেবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. শাহেদুর রশিদ বলেন, কোন কাজের স্বীকৃতি সবসময়ই আনন্দের হয়ে থাকে। এই স্বীকৃতি আমাকে নতুন করে কাজ করার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজে দেবে। এ সম্মাননা ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদেরও গবেষণা কাজে আরো উৎসাহ প্রদান করবে বলে আশা রাখছি।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. মো. শাহেদুর রশিদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে ১৯৮৯ সালে স্নাতক ও ১৯৯০ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিআইএস-এ এমএ ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং ২০০৫ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় জার্নালে ও বিভিন্ন মাধ্যমে তার দেড় শতাধিক গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি আরো কিছু গবেষণার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।