হর্টিকালচার বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্লাস শেষে বা সুযোগ পেলেই একটু বিরামের জন্য আমরা এখানে আসি। এ কারণেই আড্ডায় মুখর থাকে এই বৈশাখী চত্বর। আমদের এই প্রশান্তির জায়গা গাড়ি পার্কিংয়ের দখলে ছিলো। এখন উদ্ধার হয়েছে। পার্কিং মুক্ত হয়েছে বৈশাখী চত্বর। দেখতেও সুন্দর লাগছে। আবার প্রাণ ফিরে পাবে বৈশাখী চত্বর। আড্ডায় মুখর হবে প্রাণের এই চত্বর।
এই বৈশাখী চত্বর ঘিরে আড্ডা-গল্প-গানে মুখরিত থাকে সবসময়। তাদের কাছে বসার জায়গাও এটি।কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে একমাত্র আড্ডার স্থানে গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে। সারি সারি গাড়ির ভিড়ে বসার উপযুক্ত জায়গা হারাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের শেষ ছিলো না।
.png)
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিকৃবি সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে বিষয়টি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতর, প্রক্টর ও নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মালেক এর নজরে আনা হয়। এমন অভিযোগ পেয়ে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেয় সিকৃবি প্রশাসন।
এ ব্যাপারে নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মালেক সাংবাদিক সমিতিকে জানান, আমরা দ্রুত বৈশাখী চত্বর পর্যবেক্ষণে যাব।
পরবর্তীতে নিরাপত্তা শাখা, প্রক্টররিয়াল বডি ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতরকে সাথে নিয়ে তিনি যায়গাটি পরিদর্শন করে এর সত্যতা পান।
পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, বৈশাখী চত্বরে গাড়ি পার্কের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত। আমরা গাড়িগুলো অন্যত্র স্থানান্তরের নির্দেশনা দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত যায়গার সংকুলান না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও এখানে যাতে আর পার্কিং না করা হয় সেজন্য ‘পার্কিং নিষিদ্ধ’ সংবলিত একটি নোটিশ দেওয়ার পদক্ষেপ নিচ্ছি।
সব শেষে তিনি সিকৃবি সাংবাদিক সমিতিকে বিষয়টি নজরে আনার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সিকৃবি প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী শিউলি সিনহা বলেন, আমরা বেশ কিছুদিন যাবত বৈশাখী চত্বরে গাড়ি পার্কের বিষয়টি লক্ষ করছি। এমনিতেই আমাদের বসার মতো যায়গা কম তার পরে এখানে গাড়ি পার্কিং বিরক্তিকর। অবশেষে আদের প্রাণের যায়গাটি পার্কিং মুক্ত হয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিকৃবি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।