এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়, সময় ও নম্বর জানাল আন্তঃশিক্ষা সমন্ব
চলতি বছরের এসএসসি-সমমান পরীক্ষা আগামী জুনের মাঝামাঝি এবং এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা আগস্টের মাঝামাঝি আয়োজন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। এবার এসএসসিতে তিনটি ও এইচএসসিতে দুটি বিষয়ের পরীক্ষা থাকছে না। এছাড়া বিজ্ঞান বিভাগে ৪৫ নম্বর, বাণিজ্য ও মানবিকে ৫৫ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হবে। প্রতিটি পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় বোর্ডের জরুরি এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভা সূত্র জানায়, চলতি বছরেও এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার আগে নির্বাচনী পরীক্ষা থাকছে না। তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা নিতে পারবে।
.png)
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের এসএসসিতে আইসিটি, ধর্মীয় শিক্ষা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং এইচএসসিতে আইসিটি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে না। এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে প্রতিটি বিষয়ে মোট ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে সৃজনশীল আটটি প্রশ্নের মধ্যে তিনটির উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নে ১০ করে ৩০ নম্বরের উত্তর দিতে হবে। এছাড়া নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ১৫টির, মোট নম্বর ১৫।
মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে ৫৫ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হবে। তার মধ্যে ১১টি সৃজনশীল প্রশ্নের চারটির উত্তর দিতে হবে। প্রতিটিতে ১০ করে অর্থাৎ ৪০ নম্বরের উত্তর দিতে হবে। এছাড়া ১৫ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে। শুরুতে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, এরপর সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। সব মিলিয়ে পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বিজ্ঞান বিভাগে প্রতিটি বিষয়ে তিনটি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটিতে ১০ নম্বর দেওয়া হবে। এমসিকিউ প্রশ্নে ১৫ নম্বর দেওয়া হবে। মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের জন্য সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে চারটি। প্রতিটিতে ১০ নম্বর করে দেওয়া হবে। এমসিকিউতে থাকবে ১৫ নম্বর।
তিনি আরো বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষার্থীদের পুরো সিলেবাস পড়ানো সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় আইসিটি, ধর্মীয় শিক্ষা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয় বাদে অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হবে। বর্তমানে সময় স্বল্পতার কারণে এসএসসি-এইচএসসিতে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা নিতে পারবে।