প্রথম শিফটের পরীক্ষা বেলা ১২টা পর্যন্ত। এই শিফটে ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপের জন্য গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা হবে। এরপর দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা বেলা ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা ‘খ’ গ্রুপের মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি বিষয়ে পরীক্ষা হবে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বুয়েট জানায়, আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১৭ হাজার ৩৪ শিক্ষার্থী প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।
.png)
এরআগে বুয়েটে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির প্রথম শিফটের প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শনিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলে বেলা ১১টা পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে চলে ৪টা পর্যন্ত।
এমসিকিউ প্রশ্নে দুটি গ্রুপে ১০০ নম্বরে হবে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা। ‘ক’ গ্রুপে থাকছে প্রকৌশল ও বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ। ‘খ’ গ্রুপে থাকছে প্রকৌশল ও বিভাগগুলো, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ ও স্থাপত্য বিভাগ।
পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকছে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে প্রশ্নের মানের ২৫ শতাংশ মার্ক কেটে নেয়া হয়।
প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শেষে শুক্রবার (১০ জুন) বিকেল ৫টায় ফলাফল ওয়েবসাইটে এর ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে।
শনিবার (৪ জুন) বুয়েট থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতে বুয়েট ক্যাস্পাসে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দুই শিফটের প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার শিফট-১ ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপ সকাল ১০টা থেকে সকাল ১১টা এবং শিফট-২ ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপ বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে ১৭ হাজার ৩৪ শিক্ষার্থী প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রথম শিফটে ৮ হাজার ৫১৭ জন এবং দ্বিতীয় শিফটে ৮ হাজার ৫১৭ জন অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। ১০০ নম্বরের এমসিকিউ টাইপ প্রশ্নের মাধ্যমে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসব পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯৫ শতাংশের বেশি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুই ধাপে প্রাক-নির্বাচনী ও মূল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রম অনুসারে প্রতি শিফটের প্রথম থেকে তিন হাজার শিক্ষার্থীকে মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হবে।
এছাড়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের মধ্যে ন্যূনতম ১২ জন পরীক্ষার্থী (পর্যাপ্ত আবেদন) মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠিভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি ও স্থাপত্য বিভাগে ১টি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমোট ১ হাজার ২৭৯টি আসনের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৪ জন।