বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সব সদস্য গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের পক্ষে মত দেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম সোমবার (২০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করবেন এবং মিটিংয়ের পরে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবেন।
.png)
মিটিংয়ে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করাসহ চারটি সুপারিশ কর হয়। বাকি সুপারিশগুলো হলো- পহেলা জুলাই নতুন বর্ষের ক্লাস শুরু করা, আবেদনের জন্য ন্যূনতম ফি নির্ধারণ এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে চূড়ান্ত ভর্তি ছাড়া বাকী কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা।
এর আগে প্রশাসনকে গুচ্ছের বাইরে এসে স্বতন্ত্র প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে সরকারকে সেই সিদ্ধান্ত পূনঃবিবেচনার দাবি জানান তারা। এসব সিদ্ধান্ত চিঠি আকারে উপাচার্যকে জানানো হয়। পরে গত বুধবার আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সময় শিক্ষক সংগঠনগুলো গুচ্ছের বিপক্ষে মত দেন বলে জানা গেছে।