লম্বা সময় ধরে লাইভ চলাকালে তিশা জানান, আমি তো অবশ্যই মামলা করব। অলরেডি আমি আমার সংগঠন অভিনয় শিল্পী সংঘকে জানিয়েছি। অথৈ যা করেছে, তা পুরোপুরি অপেশাদার আচরণ। তিনি চাইলে, আমাদের সবাইকে নিয়ে বিষয়টা মিটমাট করতে পারতাম। তা না করে, নাটকের শুটিং ফেলে সবাই ফাঁসিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। কিন্তু অভিনয় শিল্পী সংঘর কাছে অভিযোগ না করে ফেসবুকে লাইভ সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিলেন। এর মাধ্যমে সারা দুনিয়ার মানুষকে নিজেকে চিনিয়ে দিলেন।
তানজিন তিশা আরও বলেন, ‘ওই অভিনেত্রী আমার বিরুদ্ধে মানহানিকর মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। আমার গা থেকে গন্ধ আসে, ‘আমি নাকি গাঁজা খেয়ে শুটিং স্পটে ঢুকি। তিনি নাকি ড্রাইভারের কাছ এমন কথা শুনেছেন। এটা হাস্যকর। কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করে কেবলমাত্র একজন ড্রাইভারের মুখের কথা শুনেই গণমাধ্যমে আমার নামে এমন বদনাম ছড়ালেন! এছাড়া অথৈ বলেছেন, আমি এক ঘণ্টা ওয়াশরুমে ছিলাম। এ কথার মাধ্যমে তিনি কিসের আভাস দিয়েছেন তা সবাই হয়ত বুঝতে পেরেছেন। সবমিলিয়ে আমি মানহানির মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
.png)
লাইভে তিশার কথার সঙ্গে সুর মিলিয়ে নাটকটির পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকু বলেন, ‘এটা একটা হাস্যকর ও ভিত্তিহীন তথ্য। ঢাকার বাইরের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাও আবার দিনে-দুপুরে রমজান মাসে কোনো নারী এভাবে গাঁজা খাবে- এটা অবিশ্বাস্য।’