লং আইল্যান্ড সিটিতে কয়েক বছর ধরে বিডি অটো রিপেয়ার অ্যান্ড কলিশন নামে একটি গাড়ি সার্ভিস পয়েন্ট গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশি যুবক আলমগীর হোসাইন। গ্রাহক সন্তুষ্টিতে মাত্র চার বছরেই তিনি বনে গেছেন মিলিয়ন ডলারের মালিক।
প্রয়োজন আর কম খরচে ভাল সার্ভিস দেয়ায় তিনি মন কেড়েছেন গাড়ি ব্যবহারকারীদের। গ্রাহকরা জানান, স্বল্প খরচে ভালো সেবা পাওয়া যায় আলমগীরের অটোশপে। তাছাড়া মোটরপার্টসও মেলে ন্যায্য দামে।
.png)
স্বল্প খরচে গ্রাহকদের ভালো সেবা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশি যুবক আলমগীর হোসাইন। তিনি বলেন, নিজের ভেবেই প্রতিটি গাড়ি মেরামত করি। যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি টেকনিশিয়ান হিসেবে সুযোগ রয়েছে বিপুল কর্মসংস্থানের।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ রয়েছে মোটরশপ খাতে। যে কেউ এ পেশায় অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সপ্তাহে আয় করতে পারেন ৬শ থেকে ২ হাজার ডলার।
জানা গেছে, হোন্ডা থেকে টেসলা, মার্সিডিজ ও টয়োটা এসব বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অত্যাধুনিক নিত্যনতুন মডেলের গাড়ি মেরামত ও রং পরিবর্তন করে নতুনত্ব নিয়ে আসা হয় কারখানাটিতে। শুধু দক্ষতা নয়, স্বকীয়তা আর মননশীলতা থাকায় আলমগীর নিজের ক্যাশ কাউন্টার সাজিয়েছেন একটি গাড়ির অংশ দিয়েই।
প্রতিদিন এ অটোশপে ৩০ থেকে ৩৫টি গাড়ির সার্ভিস দেয় ১৮ জন দক্ষ কর্মী। কাজের চাপ বাড়ায় নতুন কর্মসংস্থানের কথা জানালেন আলমগীর হোসাইন।