বুধবার এমএসিসির প্রধান কমিশনার তান শ্রী আজম বাকি এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের অবৈধ উপায় অবলম্বন করে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের করার জন্য একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। ঐ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রবেশের জন্য মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন এজেন্টকে ঘুষ দিয়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। সিন্ডিকেটটি নিয়ন্ত্রণ করছেন একজন বাংলাদেশি।
.png)
এতে আরো বলা হয়, বিমানবন্দরের ‘কাউন্টার সেটিং’ ব্যবহার করে বিদেশিদের পার করার জন্য ঐ সিন্ডিকেট বিভিন্ন কোড ব্যবহার করে। যেমন বাংলাদেশি নাগরিকদের বলা হয় ‘স্কুল বয়’, মিয়ানমার নাগরিকদের ‘জান্তা’, পাকিস্তানিদের ‘কার্পেট’ আর ভারতীয়দের ‘সয়া সস’ অথবা ‘রুটি চানাই’।
এমএসিসির প্রধান কমিশনার জানান, সিন্ডিকেটের মূল হোতা ঐ বাংলাদেশি এখনো মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় গ্রেফতার করা হতে পারে।
তিনি আরো জানান, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক আনা ঐ বাংলাদেশি সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।
সূত্র: নিউ স্ট্রেইট টাইমস