ড. ইউনূসের ঘোষণার পর আমিরাতের সচেতন প্রবাসীদের মাঝে চলছে আলোচনা। গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবাসীরা।
আজমান প্রবাসী মোবারক হোসেন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে। এটা খুবই ইতিবাচক। গণতান্ত্রিক দেশের মানুষ হিসেবে ভোটের প্রতি আমাদের আলাদা আগ্রহ রয়েছে। দেশের জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসীদের ভোটাধিকার আরো আগেই নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল।
.png)
শারজাহ প্রবাসী ওয়াহিদুজ্জামান টিপু বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান থাকলেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে কোনো প্রকার কনট্রিবিউশন নেই। এটি আমাদের জন্য খুবই হতাশাজনক। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত সরকার প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেবেন বলে প্রত্যাশা করি।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে ড. ইউনূস বলেছেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।