আরবি শব্দ ‘জাওয়াদ’-এর অর্থ উদার বা করুণাময়। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নামটি রেখেছে সৌদি আরব।
১৯৫৩ সালে আটলান্টিক অঞ্চলে এক চুক্তির মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। ভারত মহাসাগর এলাকায় এর প্রচলন শুরু হয় ২০০৪ সালে। কোনো ঝড়ের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৩৯ মাইল হয়, তাহলে তাকে একটি নাম দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া অফিসগুলো এই নামকরণের দায়িত্ব পালন করে থাকে।
.png)
কোনো ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করতে সদস্য দেশগুলো তাদের পক্ষ থেকে একটি তালিকা দেয়। এরপর তাদের দেওয়া নামগুলো বর্ণনানুক্রমে সাজানো হয়। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়ার কারণও বেশ সহজ। এগুলোর এমন নাম দেয়া হয় যেন বিজ্ঞানী থেকে সাধারণ মানুষ সহজে মনে রাখতে পারে।
আর এই তালিকা থেকে একটির পর একটি ঝড়ের নামকরণ করা হয়। এই ক্রম এমনভাবে সাজানো হয় যেন প্রত্যেকবার ভিন্ন দেশের দেওয়া নাম সামনে আসে।
চলতি বছর সবশেষ সেপ্টেম্বরে উড়িষ্যা উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণঝড় ‘গুলাব’। আর মে মাসে ‘ইয়াস’।