জানা যায়, বেলজিয়ামের জিম্মি ডে ফ্রেন্নে নামে এক ব্যক্তি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে। তার বয়স ৪৮ বছর। তিনি হাসিমুখে বাথরুমে কাটিয়ে দিলেন টানা পাঁচদিন! ভাবছেন, এ আর এমন কী ব্যাপার। বাথটবে শুয়ে শুয়ে আরামসে কাটিয়ে দেওয়া যায় পাঁচ দিন কেন, পুরো এক সপ্তাহ। আপনার ভাবনাটি ভীষণ ভুল! রেকর্ড গড়তে বাথটবে শুয়ে নয়, জিম্মি ইতালিয়ান টয়লেটে বসে থেকেছেন!
তিনি পেশায় একজন বাস ড্রাইভার। নিজেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন, টানা ১৬৫ ঘণ্টা কমোডে বসে থাকবেন। তবে পাঁচদিন পর নিজেই ক্ষান্ত হন। এরপরেই স্থানীয় এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাকারে জিম্মি জানান, 'নিজেকে নিয়ে মজা করার সহ থেকে ভালো উপায় এটাই। দেখুন, সবাই জানার পর কেমন মজা করছে আমাকে নিয়ে। আগামী দিনে ঠিক এভাবেই আমিও সবাইকে নিয়ে মজা করব।'
.png)
বসে থাকতে থাকতে জিম্মি যাতে বোর না হয়ে যান তার জন্য স্টেনের ফিলিপ'স প্লেস বার খুলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে ডি ফ্রেনের বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। এছাড়া, ফ্রেন্নেকে প্রতি ঘন্টায় পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে ঘুমানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল। আর টয়লেটে বসেও তিনি টয়লেট করতে পারতেন না। কারণ, তাতে নিকাশি নালার ব্যবস্থা ছিল না। তাই টয়লেট পেলে উঠতে পারতেন তিনি।
জিম্মি বলেন, একটা সময়ের পর খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়ি। ব্যথা করত পা। তারপরও রেকর্ড গড়ব বলে সব চ্যালেঞ্জ মেনে নিয়েছি।
প্রসঙ্গত, টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে এর আগে কেউ রেকর্ড গড়েননি। সেই দিক থেকে জিম্মিই অন্যতম। তবে এর আগে নাকি এক ব্যক্তি ১০০ ঘণ্টা টয়লেটে বসে থাকার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বোধহয় চ্যালেঞ্জ শেষ করতে পারেননি। সেখানে জিম্মি ছিলেন ১১৬ ঘণ্টা। জিম্মি সব নিয়ম ঠিক মতো মানছেন কিনা সেটা দেখতে বারেবারে এসেছেন গিনেস বুকের কর্মকর্তা এবং সদস্যরা।
জিম্মি ডে ফ্রেন্নে বলেন, গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস রেকর্ডের প্রচেষ্টার বিষয়ে সচেতন ছিল এবং স্থানীয় কর্মকর্তা ও সাক্ষিগণ এটি যাচাইয়ের জন্য চেক তৈরি করছিলেন। গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে কোনো মন্তব্যের জন্য অবিলম্বে উপলব্ধ ছিল না।