কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেইনের অতিক্ষুদ্র দ্বীপ জিমিনি (স্নেক আইল্যান্ড)। গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেইনে রুশ আগ্রাসন শুরু হওয়ার পরদিন গণমাধ্যম ভেসে গিয়েছিল একটি খবরে।
যে খবরে বলা হয়েছিল, রাশিয়ার একটি যুদ্ধজাহাজ বৃহস্পতিবার ক্ষুদ্র ওই দ্বীপটির দখল নিতে আসে এবং সেনাদের আত্মসমর্পণ করতে বলে।
.png)
কিন্তু দ্বীপরক্ষায় দায়িত্বরত সেনারা রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজের কাছে আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানায় এবং গোলাবর্ষণে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান ধরে রাখে।
পরে রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ থেকে মুহুর্মুহু গোলাবর্ষণ করা হলে তারা সবাই নিহত হন।
আরো পড়ুন>> এবার ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই রক্ষীদের বীরত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদেরকে মরণোত্তর যুদ্ধবীর সম্মাননায় ভূষিত করার ঘোষণা দেন।
বিবিসি’ও শুক্রবার সেই খবর প্রকাশ করেছিল। এখন ইউক্রেইনের স্টেট বর্ডার গার্ড সার্ভিস ফেসবুকে একটি পোস্টের ভিত্তিতে ধারণা করছে, দ্বীপে সেনাদের ওই ইউনিট বেঁচে আছে।
তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘‘পুরো ইউক্রেইনের মত ইউক্রেইনের স্টেট বর্ডার গার্ড সার্ভিস এবং ইউক্রেইনের সেনাবাহিনী আশা করছে জিমিনি দ্বীপের সুরক্ষায় থাকা সব সেনা বেঁচে আছেন।”
তারা আরও জানান, ওই সেনাদের সম্ভাব্য বর্তমান অবস্থান ধরে তারা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
এদিকে রাশিয়ারও দাবি ছিল স্নেক আইল্যান্ডে রক্তপাতহীন অভিযানে আত্মসমর্পণ করেছেন ইউক্রেনের মোট ৮২ সেনা।
সূত্র: ডেইলি মেইল