ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

এরপর তাইওয়ানে হামলা করবে চীন: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:১৫, ৩ মার্চ ২০২২
এরপর তাইওয়ানে হামলা করবে চীন: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া এখন যেমন ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে, ঠিক সেভাবে চীনও আক্রমণ করবে তাইওয়ানকে। খুব শীঘ্রই সেই যুদ্ধ বাধতে চলেছে বলে সতর্ক করে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তার ভবিষ্যদ্বাণী, ইউক্রেনে যেমন বাইডেন প্রশাসন যুদ্ধ আটকাতে পারেনি, ঠিক তেমনই তাইওয়ানকেও বাঁচাতে ব্যর্থ হবে তারা।

বৃহস্পতিবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এক সপ্তাহ পূর্ণ হয়ে ৮ম দিন চলছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ক্রমাগত প্রতিরোধে এখনও রাজধানী কিয়েভের দখল নিতে পারেনি রাশিয়া। এ দিকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে সাহায্য না করলেও ইউক্রেনের জন্য অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় দুই হাজার ৬৬৩ কোটি টাকার আর্থিক ঋণ মওকুফ করেছে।

বর্তমান বাইডেন প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, শি জিন পিং এখন রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে মজা নিচ্ছেন আর ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্র কী বোকা। আমি নিশ্চিত এ সব দেখে তাইওয়ানে হামলার পরিকল্পনা একরকম পাকা করে ফেলেছে তারা।

Advertisement

চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দক্ষিণ চীন সমুদ্রের দ্বীপ তাইওয়ান নিজেদের স্বায়ত্বশাসিত রাষ্ট্র বলে দাবি করে। অন্য দিকে, চীন সরকার মনে করে তাইওয়ান চীনেরই অঙ্গ। বহু বার নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে চাইলেও তাইওয়ানের দাবি বার বার প্রতিহত করেছে চীন।

আরো পড়ুন: বেলারুশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

তবে তাইওয়ানের স্বাধীন হওয়ার ইচ্ছেকে দমিয়ে রাখা যায়নি। তাইওয়ানের নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭৯ সালেই একটি আইনের মাধ্যমে তাইওয়ানকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বে আনা হয়। বাইডেন প্রশাসনের ব্যর্থতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সেই দায়িত্বের কথাই টেনে এনেছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইউক্রেনে পুতিন সফল হলেই চীন হামলা চালাবে তাইওয়ানে। তখনও এমনই হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হবে বাইডেনকে।

ট্রাম্প অবশ্য নিশ্চিত, আজ যদি তিনি প্রেসিডেন্ট থাকতেন তাহলে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধই হত না। সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের যুক্তি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার সঙ্গে এমন করতেই পারতেন না। এর আগেও রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্ব সমালোচিত হয়েছে মার্কিন রাজনৈতিক মহলে। সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীনও ট্রাম্প এক বার পুতিনের পক্ষে কথা বলায় তার সমালোচনা শুরু হয়। তার পর অবশ্য ট্রাম্প সেই ভুল আর করেননি।

রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে বাইডেনের অবস্থান নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ জমেছে আমেরিকানদের মনে। ট্রাম্পের সমালোচকদের বক্তব্য ট্রাম্প সেই আবেগকেই নিজের পক্ষে কাজে লাগাতে চাইছেন। গত দুদিন ধরেই পুতিনের পক্ষে মন্তব্য করার বদলে ইউক্রেনর প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!