রোববার (৬ মার্চ) দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ যুদ্ধবিরতি থাকবে, বলেছে তারা।
নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহরটির বেসামরিক নাগরিকরা স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে নির্ধারিত পথ ধরে শহরটি ছাড়তে পারবেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
.png)
বেসামরিকদের শহর ছাড়ার সুযোগ দিতে শনিবারও শহরটিতে স্বল্প সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল; কিন্তু বিরতি শুরুর খানিকক্ষণ পরই ফের গোলাবর্ষণ শুরু হলে ওই যুদ্ধবিরতি বাতিল হয়ে যায়।
আরো পড়ুন>> যুদ্ধে ১১ হাজারের বেশি রুশ সেনা প্রাণ হারিয়েছে: ইউক্রেন
সিটি কাউন্সিল যে সময়ে যুদ্ধবিরতির কথা জানায়, তার খানিকক্ষণ পর থেকেই তা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শহরটির চারপাশে যুদ্ধ থেমেছে কিনা তা জানা যায়নি।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির সময়ে বেসামরিকরা তিনটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে বাসে করে জেপোরোজিয়ায় গিয়ে শেষ হয়েছে এমন একটি পথে যেতে পারবেন।
আরো পড়ুন>> ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়ছে ৩ হাজার আমেরিকান
অন্য গাড়ি করেও বের হওয়া যাবে, সেক্ষেত্রে গাড়িগুলোকে বাসের পেছনে থাকতে হবে এবং গাড়ির কোনো আসন খালি রাখা যাবে না। বেসামরিকদের এই বহরের নেতৃত্বে থাকবে রেডক্রসের যান।
ইউক্রেনে টানা ১১ দিন ধরে চলমান সংঘাত থামার কোন লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। ইউক্রেনের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তারা রাশিয়ার এই আগ্রাসনের আঘাত সহ্য করছেন। তিনি দেশের নাগরিকদের এই কঠিন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাজধানী কিয়েভের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র লড়াই চলছে। সেখানে ঐতিহাসিক হস্তোমেল বিমানঘাঁটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। এছাড়া কিয়েভের উপকণ্ঠে অবস্থিত ছোট শহর ইরপিনে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে মস্কো।