ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

নিজের হাতে তৈরি প্লেনে চড়ে সপরিবারে ইউরোপ ভ্রমণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:৪৯, ২৭ জুলাই ২০২২
নিজের হাতে তৈরি প্লেনে চড়ে সপরিবারে ইউরোপ ভ্রমণ
ফাইল ছবি

করোনার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গোটা বিশ্বে জারি হয়েছিল লকডাউন। সেই সময় নিজের হাতে একটি প্লেন তৈরি করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক অশোক আলিশেরিল থামারক্ষণ। আর সেই প্লেনে করেই সপরিবারে ভ্রমণ করেছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

বর্তমানে লন্ডনে বসবাস করা অশোক আলিশেরিল থামারাক্ষণের মূল বাড়ি ভারতের কেরালার আলাপ্পুঝা। প্লেনটি তৈরি করতে তার সময় লেগেছিল টানা ১৮ মাস। মোট চার আসনের প্লেনটির মডেল ‘স্লিং টিএসআই’। তিনি এর নাম রেখেছেন ‘জি-দিয়া’। দিয়া তার সবচেয়ে ছোট মেয়ের নাম।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করতে ২০০৬ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান অশোক আলিশেরিল থামারাক্ষণ। বর্তমানে তিনি ফোর্ড মোটর কোম্পানিতে কাজ করছেন।

Advertisement

অশোক আলিশেরিল থামারাক্ষণ ভারতের সাবেক এমএলএ এ ভি থামারাক্ষণের ছেলে। পাইলটের লাইসেন্সধারী অশোক আলিশেরিল থামারক্ষণ নিজের বানানো প্লেন নিয়ে এখন পর্যন্ত জার্মানি, অস্ট্রিয়া এবং চেক রিপাবলিক ভ্রমণ করেছেন।

আরো পড়ুন>> লাইভ অনুষ্ঠানে সংজ্ঞা হারিয়ে পড়ে গেলেন সঞ্চালিকা!

প্লেন বানানোর ধারণা কিভাবে পেলেন জানতে চাইলে থামারাক্ষণ বলেন, ‘২০১৮ সালে পাইলট লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে আমি ভ্রমণের জন্য দুই সিটের প্লেন ভাড়া করতাম। তবে আমার পরিবারে স্ত্রী ও দুই মেয়ে থাকায় আমাদের চার সিটের প্লেনের প্রয়োজন পড়ে। তবে তা পাওয়া কঠিন ছিল, আর যদি পাওয়া গেলেও সেগুলো হতো অনেক পুরনো’।

চার সিটের প্লেন পাওয়ার এই জটিলতা থেকে লকডাউনের সময় তার গবেষণার বিষয় হয়ে ওঠে প্লেন। আর তা থেকেই বাড়িতে প্লেন বানানো শেখেন তিনি।

নিজের প্লেন বানাতে ৩৮ বছরের থামারাক্ষণ জোহানেসবার্গভিত্তিক কোম্পানি স্লিং এয়ারক্রাফট পরিদর্শন করেন। ২০১৮ সালে ওই সফরের সময় তিনি স্লিং টিএসআই প্লেন বানানো শেখেন। কারখানা পরিদর্শনের পর থামারক্ষণ নিজের প্লেন বানানোর যন্ত্রাংশ কেনার আদেশ দেন।

করোনা লকডাউনের সময় হাতে প্রচুর সময় থাকায় এবং অর্থ খরচ কমাতে তিনি প্লেন তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প হাতে নেন। প্লেনটি বানাতে তার মোট এক কোটি ৮০ লাখ রুপির মতো খরচ হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!