সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে জানা গেছে, পিআইএ এর বোয়িং-৭৭৭ ইসলামাবাদ থেকে দুবাইয়ের রুটে ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। অন্যদিকে অন্য একটি বিমান কাতারের দোহা থেকে পেশওয়ারে আসছিল ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায়। দ্বিতীয় বিমান এ-৩২০ এর পাইলট ছিলেন সামিউল্লাহ আর বোয়িং ৭৭৭- এর পাইলট ছিলেন আতাহার হারুন।
আরো পড়ুন: পাঁচ মাসে ৩৯৭০০ রুশ সেনা হত্যার দাবি
.png)
সমউচ্চতার দুই বিমান মুক্ত করার দায়িত্ব ছিল ইরানের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের। কিন্তু তাদের অবহেলায় বিমান দুটো কাছাকাছি বিপদজনক দূরত্বে চলে গিয়েছিল।
প্রত্যেকটি বিমানে থাকা বিমান সংঘর্ষ প্রতিরোধ পদ্ধতি (ট্রাফিক কলিশন অ্যাভয়ডেন্স সিস্টেম) যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিমানকে দুর্ঘটনা এড়াতে নির্দেশনা দেয়। সেখানে নির্দেশনা পেয়ে দু’পাইলট বিমান নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়।
ঘটনা তদন্ত করার জন্য ইরানের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। পাকিস্তান এয়ারলাইনসের একজন মুখপাত্র বিষয়টি জানিয়েছেন।