হোস্টেল রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলে ছিলেন ঐ ছাত্রী। তার নাম প্রদীপ্তা দাস। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার সোদেপুরের বাসিন্দা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘক্ষণ ধরে নিজেকে রুমের ভেতর তালাবদ্ধ রেখেছিলেন প্রদীপ্তা। পরে কিছু একটা হয়েছে সন্দেহ করে হোস্টেলের অন্য বাসিন্দারা। এরপর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা। তখন প্রদীপ্তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় তারা।
.png)
এদিকে, প্রদীপ্তার বাবা প্রশান্ত দাস বলেন, মেয়ে জানিয়েছিল আর চাপ নিতে পারছে না। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মী প্রশান্ত জানান, চার দিন আগে মেয়ে তাকে জানায় পড়াশোনার চাপ অনেক বেশি। আর পারছে না সে। মেয়েকে তিনি সাহস জুগিয়েছিলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি মেয়ের এ সমস্যা হেলাফেলা করিনি। গত রোববারই প্রদীপ্তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। তারপর সোমবার সকালেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় প্রদীপ্তা। পৌঁছে বাড়িতে ফোনও করে। আর বিকেলেই আসে মৃত্যুসংবাদ!