ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

‘আর কত শিশুকে কবর দিতে হবে?’ জাতিসংঘে প্রশ্ন তুললো ফিলিস্তিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৪৪, ৯ আগস্ট ২০২২
‘আর কত শিশুকে কবর দিতে হবে?’ জাতিসংঘে প্রশ্ন তুললো ফিলিস্তিন
ফাইল ছবি

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতি ও ইসরায়েলি আগ্রাসন নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি বৈঠক করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

সোমবার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইসরায়েলের অযৌক্তিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর প্রশ্ন করেন, আর কত শিশুকে কবর দিতে হবে?

তিনি প্রশ্ন তোলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়ী সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে জাতিসংঘ কি যথেষ্ট প্রস্তুত?

Advertisement

এদিকে বৈঠকের শুরুতে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেয়া এক বক্তব্যে জাতিসংঘ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত টর উইনেসল্যান্ড বলেন, এ অঞ্চলে ফের যুদ্ধ শুরু হলে পরিণতি হবে ‘ভয়াবহ’।

অন্যদিকে দেশ দু'টির মধ্যে চলমান অস্ত্রবিরতির বিষয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এ অস্ত্রবিরতি ভঙ্গুর।’

আরো পড়ুন>> নাগাসাকি দিবস: যা ঘটেছিল ইতিহাসের কলঙ্কজনক এই দিনে

এর আগে সোমবার টানা তিন দিনের রক্তাক্ত সংঘর্ষের পর গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল। মিশরের মধ্যস্থতায় আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় দেশ দু'টি। এ সময় ইসরায়েলি হামলায় পিআইজে’র দুই শীর্ষ নেতাসহ অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শিশু রয়েছে ১৫ জন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৩৬০ ফিলিস্তিনি নাগরিক।

জাতিসংঘের বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভসিলি নেবানজিয়া বলেন, সেখানে আবারও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তা পরিষদ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আর এই সংঘাত পুরোদমে সামরিক লড়াই ফের শুরুর ক্ষেত্রে ইন্ধন যোগাতে পারে। ফের যুদ্ধ বেধে গেলে গাজা মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে। ইতোমধ্যেই সেখানকার মানবিক পরিস্থিতির অনেক অবনতি ঘটেছে।

তবে জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড 'সন্ত্রাসী হুমকির বিরুদ্ধে তার জনগণকে রক্ষা করার জন্য ইসরায়েলের অধিকার' সমর্থন করেছেন অর্থাৎ বরাবরের মতো ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আরো পড়ুন>> এবার পাল্টা মহড়া শুরু করলো তাইওয়ানও

২০২১ সালের ১১ দিনের হামলার পর, তিন দিনের এ সহিংসতা ছিল গাজার সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ। যা মিশরের মধ্যস্থতায় রোববার রাতে একটি অস্ত্রবিরতিতে পৌঁছানোর পর লড়াইয়ের সাময়িক অবসান ঘটে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এ সংঘাতে গাজা উপত্যকায় ১৫ শিশুসহ ৪৪ জন নিহত ও ৩৬০ জন আহত হয়। এছাড়া গাজার বহু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সবশেষ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের দেসগুলো।

সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!