দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর খেলার জন্য বায়না ধরেছিল ছেলে শাহির। এসময় তার বাবা নাজির ছেলের স্কুলের হোমওয়ার্ক দেখতে চায়। ছেলের খাতায় হোমওয়ার্ক দেখতে না পেরে ক্ষেপে যায় ওই বাবা। পরেই ছেলের গায়ে কেরোসিন তেল ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় সে।
এরপর প্রথমেই তাকে কাতার হাসপাতালে নেয়া হলে সেখান থেকে সিভিল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার করা হয়। সেখানেই ৩৬ ঘণ্টা জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়াই করার পর মারা যায় ছোট্ট শাহির। শাহিরের মৃত্যুর দুইদিন পর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন শাহিরের মা। অভিযোগের পর অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করে করাচি পুলিশ।
.png)
আরো পড়ুন>> ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা সন্ত্রাসের মামলা বাতিলের নির্দেশ
বাবা নাজিরের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কিছুদিন ধরে পড়াশোনায় অমনোযোগী ছিল শাহির। যাতে সে পড়াশোনা করে তাই তাকে ভয় দেখাতে শরীরে কেরোসিন তেল ছিটিয়ে দিয়ে পরে ম্যাচে কাঠি ঠোকাতেই দুর্ঘটনাবশত ছেলে শাহিরের শরীরে আগুন লেগে যায়। এরপর ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে যায় সে।