সোমবার (২১ নভেম্বর) জোটটির মহাসচিব জেন্স স্টোলটেনবার্গ বলেন, চীনের ওপর নির্ভরশীলতা সৃষ্টির ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি এমন সময় এই মন্তব্য করলেন যখন ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে পশ্চিমারা রুশ জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে চাইছে।
.png)
স্পেন সফরে থাকা ন্যাটো মহাসচিব বলেন, আমরা দেখছি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, সাপ্লাই চেইন ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা জোরদার করছে চীন।
জোট মিত্রদের তাদের সমাজ ও অবকাঠামো নিয়ে সতর্কতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্টোলটেনবার্গ। তিনি বলেন, চীনের বিরল খনিজ সব জায়গায় রয়েছে। এগুলো রয়েছে আমাদের ফোন, গাড়ি ও সামরিক সরঞ্জামে। স্বৈরাচারী শাসকদের আমরা এমন কোনও সুযোগ দিতে চাই না যাতে করে তারা আমাদের দুর্বলতার সুযোগ নেয় এবং গোপনে ক্ষতি সাধন করতে পারে।
আরো পড়ুন>> ইরাকে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৪, আহত ২৬
জুন মাসে গৃহীত ন্যাটোর একটি কৌশলপত্রে চীনকে জোটটির ‘স্বার্থ, নিরাপত্তা ও মূল্যবোধের’ জন্য একটি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চীনকে একটি অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি, যে নিজের কৌশল, উদ্দেশ্য এবং সামরিক গঠন সম্পর্কে অস্বচ্ছতা বজায় রাখছে।
এই কৌশলপত্র ন্যাটোর অবস্থানের প্রতিফলন। ২০১০ সালে গৃহীত জোটের কৌশলপত্রে চীনের কথা উল্লেখ করা হয়নি। তখন চীনকে পশ্চিমারা একটি বাণিজ্যিক অংশীদার ও উৎপাদন ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করত।
সূত্র: রয়টার্স