ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম তিন বছর বিয়ে ছাড়া শারীরিক সম্পর্কের কারণে কারাদণ্ডের আইন কার্যকর হবে না। তবে তিন বছর পর সেই আইনি কার্যকর হবে। এ আইনে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপমান ও রাষ্ট্রের আদর্শের বিরুদ্ধে কথা বলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ আইন শুধু ইন্দোনেশিয়ানদের জন্য নয়, ইন্দোনেশিয়াতে আসা বিদেশিরা এ আইনের আওতায় থাকবেন। এটি মূলত নৈতিকতা থেকে করা হয়েছে। নৈতিকতার মাপকাঠিতে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, লিভ টুগেদারের শারীরিক সম্পর্ক নিষিদ্ধ।
.png)
এদিকে, এ আইনকে বিয়ে ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক করা মানুষের অধিকার ক্ষয়ের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন উদারপন্থি সমালোচকরা।
এ আইনের বিরোধিতা করে চলতি সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় সংসদের পাশে একটি র্যালির আয়োজন করেছে বিক্ষোভকারীরা।
মানবাধিকার দলগুলো বলছে, এ আইন বিশেষ করে নারী, সমকামী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ওপর প্রভাব ফেলবে।
নতুন আইন অনুযায়ী, একজন যৌনসঙ্গী বা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত ব্যক্তির বাবা-মা বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য জানাতে পারবেন। এটি ব্যাভিচার হিসেবে গণ্য হবে।
মানবাধিকার দল বলছে, বিয়ে বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের বিরুদ্ধে আইন রাজনৈতিক সহিংসতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। এতে ধর্মীয় মানা, না মানার স্বাধীনতাকে হস্তক্ষেপ করবে।