হোয়াইট হাউজের একজন আইনজীবী জানান, গত বছরের নভেম্বরে ওয়াশিংটনে বাইডেনের ব্যক্তিগত অফিস পেন বাইডেন সেন্টার থেকে নথিগুলোর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। পরে তা জাতীয় আর্কাইভসে হস্তান্তর করা হয়।
তিনি আরো জানান, তালাবদ্ধ আলমারি থেকে প্রায় ১০টি গোপনীয় সরকারি নথি পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই পেন বাইডেন সেন্টারে পাওয়া গোপন নথির তদন্ত করছে।
.png)
ওই আইনজীবী দাবি করেন, উদ্ধার নথির মধ্যে পারমাণবিক বিষয়ক কোনো গোপন নথি ছিল না। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগে অফিস খালি করার সময় বাইডেনের ব্যক্তিগত অ্যাটর্নিরা নথিগুলো আবিষ্কার করেন।
আরো পড়ুন>> আগামী নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকিতে ঋষি সুনাক
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডের উপর নথিগুলো পর্যালোচনার দায়িত্ব বর্তেছে।
জো বাইডেনে ২০১৭ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০২০’র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার শুরু পর্যন্ত প্যান বাইডেন সেন্টারটি নিয়মিত ব্যবহার করতেন। এসব নথির অস্তিত্ব সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংরক্ষণাগারকে অবহিত করেছে হোয়াইট হাউস। পরের দিন সকালেই জাতীয় সংরক্ষণাগার নথিগুলো সংরক্ষণ করেছে।
প্রেসিডেন্টের বিশেষ পরামর্শক রিচার্ড সাবার জানান, নথিগুলো সন্ধান সম্পর্কে জাতীয় সংরক্ষণাগার এর আগে কখনও জানতে চায়নি। অর্থাৎ, সেগুলো সংরক্ষণাগার থেকে খোয়া যায়নি।
জো বাইডেনের পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্পও এমন দায়ে অভিযুক্ত। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছাড়ার পরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন নথি ফ্লোরিডায় রেখেছিলেন ট্রাম্প, এমন অভিযোগে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
আরো পড়ুন>> শৈশবে বোতলে চিরকুট ভরে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন সমুদ্রে, ফিরে এল ৩৭ বছর পর
২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ট্রাম্পের সেই ঘটনা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজে হাজির হয়ে জো বাইডেন বলেছিলেন, কেউ কীভাবে এতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়! জো বাইডেনের এই ঘটনায় তাই ট্রাম্পও চুপ করে বসে নেই। নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, জো বাইডেনের অফিসগুলোতে এফবিআই কখন হানা দেবে? হোয়াইট হাউসও কি বাদ থাকবে?
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ঘোষণা দিয়েছে, ট্রাম্পের গলফ ক্লাবে রাষ্ট্রের গোপন নথি পাওয়ার অভিযোগের মামলায় নিরপেক্ষ আইনজীবী নিয়োগ করবে। গত বছরের জানুয়ারিতে এফবিআই ট্রাম্পের মার-এ-লাগোর বাড়ি থেকে ১৫টি বাক্সভর্তি হোয়াইট হাউজের গোপন নথি জব্দ করে। গত আগস্টে আরও ২০ বাক্স গোপন নথি উদ্ধার হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অভিযোগ, সব মিলিয়ে ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে ১১ সেট গোপন নথি সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। তবে ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।