বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) এমন দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের মুখপাত্র কমান্ডার টিম হকিন্স বলেন, গত ১৫ জানুয়ারি ওমান উপসাগর থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।
.png)
তিনি বলেন, তথ্যগতভাবে সহায়তা এবং সামগ্রিকভাবে সমন্বয় করে ফ্রান্সকে সহায়তা করেছি আমরা। আমরা আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে জব্দ অস্ত্রগুলো হেফাজতে নিয়েছি।
আরো পড়ুন>> ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখল পাকিস্তান
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড বুধবার নিশ্চিত করে করেছে, '৩ হাজারের বেশি অ্যাসল্ট রাইফেল, ৫ লাখ ৭৮ হাজার রাউন্ড গুলি, ২৩টি অ্যান্টি গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র গত মাসে জব্দ করা হয়। গত দুই মাসে চারটি উল্লেখযোগ্য অবৈধ কার্গো বাধা দেওয়ার মধ্যে এটি একটি।'
কেন্দ্রীয় কমান্ড ঘোষণায় আরো জানায়, সম্প্রতি হুথি বিদ্রোহীদের জন্য পাঠানো ১০০টি ড্রোনও জব্দ করেছে ইয়েমেনের নিরাপত্তা বাহিনী। তবে কখন আটক করা হয় এসব ড্রোন তা জানায়নি।
যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আরো পড়ুন>> এবার সফলভাবে গাভীর ক্লোন তৈরি করল চীন!
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখলের পর সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আবদু রাব্বু মনসুর আল হাদিকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। দেশের বাইরে থাকা হাদিকে ফেরাতে ২০১৫ সালের জুনে ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। সেই থেকে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে।
হুথি বিদ্রোহীরা প্রায়ই সৌদি আরব লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। বছরের পর বছর চলা যুদ্ধে ইয়েমেনে দেখা দিয়েছে স্মরণকালের মহা দুর্ভিক্ষ। লাখ লাখ মানুষ এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা অনেকেটাই বন্ধ হয়ে গেছে।
সূত্র: সিএনএন