দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে বলেছে, তিনটি ড্রোনের মধ্যে একটি ড্রোন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা আঘাত হানে, অপর দুটি প্রতিরক্ষা ফাঁদে আটকা পড়ে ও বিস্ফোরিত হয়। সৌভাগ্যবশত, ‘অসফল’ এই হামলায় কারও প্রাণহানি হয়নি। কেবল একটি ওয়ার্কশপের ছাদের সামান্য ক্ষতি হয়েছে।
তবে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে বলা হচ্ছে, হামলা উল্লেখযোগ্য সফল হয়েছে। ইসরায়েল এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এই হামলা চালিয়েছে।
.png)
সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের সামরিক কারখানায় এই হামলার অনেকগুলো কারণ হতে পারে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো-ইউক্রেনে হামলার জন্য রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করছে ইরান। আর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো, ইসরায়েল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা।
আরো পড়ুন>> ইউক্রেনকে ট্যাংক দিলেও যুদ্ধবিমান দেবে না জার্মানি
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে নাশকতার পরিকল্পনাকারী একটি দলকে গ্রেফতারের দাবি করে ইরান। তখন জানায়, ইসরায়েলের সমর্থনপুষ্ট কুর্দি জঙ্গিরা ইস্পাহানে একটি ‘সংবেদনশীল’ প্রতিরক্ষা স্থাপনা উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল।
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চিরশত্রু ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই নতুন হামলার খবর এল। সম্প্রতি ইসরায়েল বলছে, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে চাইছে। তবে তেহরান বিষয়টি অস্বীকার করে।