মন্দিরের পিআরও রবি লোচন দাস জানান, অভিযুক্ত কর্মচারী মুরলিধর দাসের কাজ ছিল দান করা টাকা সংগ্রহ করা এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে সেসব টাকা জমা করা। যাচাই-বাছাইয়ের পর জানা যাবে ঠিক কত টাকা তিনি মন্দিরে জমা রেখেছেন।
তিনি জানান, এর আগেও সৌরভ নামে এক ব্যক্তি অনুদানের টাকা ও রসিদ বই নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তবে সেসব উদ্ধার করার আগেই তিনি মারা যান।
.png)
পুলিশ সুপার (শহর) অরবিন্দ কুমার জানান, গত শুক্রবার গভীর রাতে মন্দিরের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা বিশ্ব নাম দাস একটি এফআইআর দায়ের করেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস