ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

উত্তরখানের নাছির হত্যা মামলার রায় আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক 
প্রকাশিত: ০৮:১১, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২
উত্তরখানের নাছির হত্যা মামলার রায় আজ
সহকারী আনসার অ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খান- ফাইল ফটো

ঢাকার উত্তরখান থানার মাউসাইদ পূর্বপাড়ার সহকারী আনসার অ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খান হত্যা মামলার রায়ের জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য রয়েছে। 

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল নং-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন। 

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া বিষয়টি জানিয়েছেন।

Advertisement

এ মামলার আসামিরা হলেন- মো. সালাম, শেখ আবু, রহমান খা, রেজাউল করিম হাওলাদার, আরব আলী হাওলাদার ওরফে ডাকাত আলী, নুরুল ইসলাম তালুকদার ওরফে নুরা তালুকদার ওরফে গরুচোর নুরা, গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাম মোস্তফা খা, রেজাউল বেপারী ওরফে রেজু বেপারী, লিটন হাওলাদার, মো. জালাল খা, মিজান মোল্লা, সহি সরদার, ইয়ামিন বেপারী, ফজলুল করিম সরকার। এদের মধ্যে বিচার চলাকালীন রেজাউল করিম হাওলাদার ও শেখ আবু মারা গেছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার উত্তর খান থানার মাউসাইদ(পূর্ব পাড়া) সহকারী আনসার অ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খানের বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতদল তার বাড়ি ঘেরাও করে ঘরের বাইরে থেকে জানালা দিয়ে মো. নাছির উল্লাহ খানকে গুলি করে গুরুতর আহত করে এবং ঘরের কেচি গেইটের তালা ও মূল দরজা ভেঙে ডাকাতদল ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর নাছির উল্লাহ খান আহত অবস্থায় চিৎকার দিতে থাকলে তার স্ত্রী আবেদা সুলতানা ও মেয়ে নুসরাত জাহান বৃষ্টি রুমে আসে। তখন ডাকাতরা তাদেরও মারপিট করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। এসময় ডাকাতরা আহত নাছির উল্লাহ খানকে পুনরায় ড্রয়িং রুমে গুলি করে ও ঘরের আলমারি ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল সেট ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় দুই লাখ ৭১ হাজার টাকার মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুরুতর আহত নাছির উল্লাহ খানকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ নিহত নাছির উল্লাহ খানের ছোট ভাই মো. শামসুদ্দিন খান বাদী হয়ে উত্তরখান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর মামলার তদন্তকারী অফিসার তদন্তকালে আসামি শেখ আবুকে গ্রেফতার করে এবং তার কাছ থেকে ডাকাতির মালামাল মোবাইল সেট উদ্বার করে এবং মামলার তদন্তকালে আসামি রেজাউল করিম, আসামি মো. সালাম, আসামি শেখ আবু, আসামি রহমান খা ও আসামি আরব আলী হাওলাদার আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলার তদন্তকারী অফিসার তদন্ত কাজ শেষ করে ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত মামলায় সর্বমোট ২৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা রেকর্ড করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!