ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

অরিত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনা: ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:৩৮, ১২ মে ২০২২
অরিত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনা: ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
অরিত্রী অধিকারী

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জব্দ তালিকার সাক্ষী উপপরিদর্শক মো. আতাউর রহমান আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলমের আদালতে তিনি এ সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মামলায় এগারো জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। 

এদিন এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য আসামি জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে উপস্থিত হন। এরপর তাদের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকার সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করেন। 

Advertisement

এ মামলার আসামি হলেন- ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও শাখা প্রধান জিনাত আক্তার। 

আরো পড়ুন> মাদক মামলায় পরীমনিসহ ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় তার বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এরপর ২০১৯ সালের ২০ মার্চ এ দুই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার। আসামিদের নির্দয় ব্যবহার ও অশিক্ষকসুলভ আচরণে অরিত্রী অধিকারী আত্মহত্যায় প্ররোচিত হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। 

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শ্রেণিশিক্ষিক হাসনা হেনাকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়। ২০১৯ সালের ১০ জুলাই এ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ মামলার বাদী ও অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর জবানবন্দির মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপরে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট অরিত্রীর মা বিউটি অধিকারী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষা চলাকালে অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। মোবাইল ফোনে নকল করেছে— এমন অভিযোগে অরিত্রীর মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। দিলীপ অধিকারী তার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে শান্তিনগরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
ট্যাগ: অরিত্রী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!