দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবা ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।
দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, আদালত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন, বিধিমালা-২০০৭ এর বিধি ১৮ অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বেনজীরের বাজেয়াপ্ত করা স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় ৩ কাঠা জমি, বাড্ডায় ১৩.৬৬ কাঠা জমির ওপর নির্মিত ভবনে ২টি ফ্ল্যাট (অফিস স্পেস) ও বান্দরবান জেলায় থাকা ২৫ একর জমি (লিজ)। এছাড়া ঢাকার আদাবরের পিসিকালচার হাউজিংয়ে বেনজীরপত্নী জিশান মির্জার নামে থাকা ৬টি ফ্ল্যাটও রয়েছে জব্দের আদেশ দেওয়া স্থাবর সম্পত্তির তালিকায়।
তাছাড়া অবরুদ্ধের (ফ্রিজ) নির্দেশ দেওয়া অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- সিটিজেন টিভির শেয়ার ও টাওয়ার অ্যাপারেলস লিমিটেড নামক পোশাক গার্মেন্টেসে থাকা শেয়ার।
এসব সম্পত্তি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মির্জা, তিন মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর, যাহরা যারিন বিনতে বেনজীর এবং তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে বলে উল্লেখ করে দুদক।
উল্লেখ্য, গত ২৩ ও ২৬ মে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন বেনজীর পরিবারের ১৯৮ একর জমি জব্দ করার আদেশ দেন। যার দলিল মূল্য ২০ কোটি ৭১ লাখ ৯ হাজার টাকা। এছাড়া বেনজীরের পরিবারের ৩৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং পরিবারের মালিকানাধীন কোম্পানিও জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সে সময় বেনজীর আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে ঢাকার গুলশানে থাকা চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। তার মধ্যে তিনটি তার স্ত্রীর নামে এবং একটি ছোট মেয়ে যারাহ যারীনের নামে। দুটি ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩৫৩ বর্গফুট, যার দাম ৫৬ লাখ টাকা করে। বাকি দুই ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ২৪৩ বর্গফুট করে, যার দাম সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা করে। চারটি ফ্ল্যাট গুলশানের র্যাংকন আইকন টাওয়ারে অবস্থিত।