প্রধান বিচারপতি তার অভিভাষণে দেশের বিচার বিভাগের জন্য একটি রোডম্যাপ তুলে ধরবেন, যেখানে তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বতন্ত্রীকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক পৃথককরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করবেন।
সুপ্রিমকোর্টের আদেশে বলা হয়, দেশের সব আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনোনীত একজন করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দিয়ে সব অধস্তন আদালতের অন্য সব বিচারককে ২১ সেপ্টেম্বরের অভিভাষণ অনুষ্ঠানে আবশ্যিকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে।
.png)
অনুষ্ঠানে দেশের প্রায় দুই হাজার বিচারক উপস্থিত থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিরা, বিচার বিভাগের সংস্কার সংক্রান্ত কমিশনের চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।