বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আফ্রিকা) বি এম জামাল হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বি এম জামাল হোসেন বলেন, মোজাম্বিকে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের আমরা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছি। যেসব বাংলাদেশি ফিরতে আগ্রহী, তাদের মোজাম্বিক থেকে সড়কপথে মালাউইতে আনা হবে। তারপর মালাউই থেকে বিমানযোগে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এখন পর্যন্ত সেখানে বাংলাদেশি নাগরিকের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশিদের বেশকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, মোজাম্বিকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সেখান থেকে অনেকেই ফিরতে আগ্রহী। যারা অনিয়মিত রয়েছেন, তাদের জন্য আমরা ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করব। ফিরতে আগ্রহীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কতজন ফিরতে আগ্রহী সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সম্প্রতি মোজাম্বিকের রাজনৈতিক সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের বেশকিছু দোকানপাট লুটপাট হয়েছে। প্রায় হাজারখানেক বাংলাদেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছেন।
মোজাম্বিকে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। লিসবনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে দেশটির দেখভাল করা হয়। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিকট বিবেচনায় দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ মিশন থেকে সেখানের বাংলাদেশিদের খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।
গত ৯ অক্টোবরের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপিকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদকারীরা পুলিশ স্টেশন, পেট্রল স্টেশন এবং ব্যাংকসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় এবং সড়ক অবরোধ করে। চলমান সহিংসতায় ১৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।