ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ প্রবাস জীবন ]
এক পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা

সন্দেহভাজন একজনের ছবি প্রকাশ

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৩৯, ২৮ জুন ২০২৬
সন্দেহভাজন একজনের ছবি প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

ইতালির রাজধানী রোমে স্ত্রী মেয়েসহ নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি কামাল উদ্দিন বাবুলকে প্রায় এক বছর আগে হত্যার হুমকি দিয়ে গ্রামের বাড়িতে একটি উড়ো চিঠি পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তার বাবা সিরাজুল ইসলাম। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে তিনি দাবি তুলে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। সন্দেহভাজন একজনের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নে নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশীদের ভিড়ে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা জানাতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন স্বজন পরিচিতজনরা।

Advertisement

নিহত কামালের বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক বছর আগে আমার ছেলে দেশে এলে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আমাদের বাড়িতে একটি উড়ো চিঠি পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে কোম্পানীগঞ্জ থানাকে জানিয়েছিলাম।

তিনি জানান, শুক্রবার ইতালির স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলীয় অরেলিও এলাকার ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে নিহত বাবুলের বন্ধু একই গ্রামের প্রবাসী শাহাদাত।

নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরওয়া ইসলাম আরিশা। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের ছেলে আমির হোসেন অয়ন (১৮)

স্থানীয়রা জানান, ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত অয়নকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

ইতালির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ওই আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় জনের মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে রোম পুলিশের বিশেষ শাখা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকীম বলেন, তৎকালীন সময়ে ভুক্তভোগী পরিবার মৌখিকভাবে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছিল। এরপর পুলিশ নিয়মিত রাত্রীকালীন টহলের মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এম এ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!