এমবিআর স্পেস সেন্টারের এক টুইট বার্তায় দেখা যায়, আমিরাতের এই নভোচারী তার বাবা-মা, পরিবার ও নিজ দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদে পৌঁছেছি। আমার বাবা-মা, পরিবার ও মোহাম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টারকে ধন্যবাদ। এখানে আসার চেয়ে আনন্দঘর মুহূর্ত আমি আর পার করিনি। মহাকাশে এসে আমার পুরোনো বন্ধুদের দেখতে পাচ্ছি এবং এখানে যেন একটি বড় পরিবারকে পেয়েছি।
أول رسالة من رائد الفضاء سلطان النيادي بعد وصوله إلى محطة الفضاء الدولية. #طموح_زايد #أطول_مهمة_فضائية_في_تاريخ_العرب pic.twitter.com/NHV1JQiYN0
— MBR Space Centre (@MBRSpaceCentre) March 3, 2023
.png)
আমিরাত ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনাল সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ‘ক্র সিক্স’-এ করে আরব ইতিহাসের দীর্ঘতম মহাকাশ মিশনে যান আমিরাতের ৪১ বছর বয়সী আল-নিয়াদি। সেখানে তিনি আগামী ছয় মাস অবস্থান করবেন। তার সঙ্গে আরো রয়েছেন নাসার স্টিফেন বোয়েন ও ওয়াডি হোবার্গ এবং রাশিয়ার আন্দ্রে ফেডিয়ায়েভ। এ সময় তারা নাসার দুই শতাধিক গবেষণা পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
এর আগে, রমজানে মহাকাশে অবস্থান প্রসঙ্গে আল-নিয়াদি বলেছিলেন, মহাকাশে অবস্থানের ছয় মাসে আমরা পবিত্র রমজান মাস, ঈদসহ বেশকিছু সুন্দর উৎসব উদযাপন করব। তবে এ সময় নিজ পরিবারকে খুবই মনে পড়বে।
১৯৮৫ সালে সৌদি যুবরাজ সুলতান বিন সালমান মহাকাশে গিয়েছিলেন। প্রথম আরব ও মুসলিম নভোচারী হিসেবে তিনি মার্কিন মহাকাশ অভিযানে অংশ নেন। ২০০৭ সালে রমজানের কয়েকদিন ও ঈদ মহাকাশে কাটিয়েছেন মালয়েশিয়ার নভোচারী শেখ মুসজাফর শাকর। ২০১৯ সালে আমিরাতের প্রথম নভোচারী হাজ্জা আল মানসুরি মহাকাশে ৮ দিন কাটান। সেখানে তার নামাজ পড়ার ছবিও ধারণ করা হয়।